All products
All category
রূপচাঁদা শুঁটকি (Rupchanda)
রূপচাঁদা শুঁটকির ভুনা খেতে অসাধারণ স্বাদ। এই শুঁটকি মাংসল ও কাঁটা কম থাকায় ছোট বড় সকলের কাছে দারুণ জনপ্রিয়। 🔵পর্যাপ্ত প্রোটিন, আয়োডিন ও ভিটামিন সমৃদ্ধ সামুদ্রিক রূপচাঁদা মাছের শুঁটকি পরিবারের শিশু ও মুরব্বীদের জন্য খুবই উপকারি।

রূপচাঁদা শুঁটকি (Rupchanda)
price
- 0.25Kg
- 0.5Kg
- 1Kg
Secure
Checkout
Satisfaction
Guaranteed
Privacy
Protected
Details:
- Warrantyবিক্রিত পন্য ফেরত নেয়া মহানবীর সুন্নাহ।
✅সামুদ্রিক বড় সাইজের রূপচাঁদা মাছ কায়দা করে কেটে ভালোভাবে পরিষ্কার করে এই শুঁটকি বানানো হয়েছে। লবণ ছাড়া ও বিষমুক্ত নিরাপদ শুঁটকি হোম ডেলিভারি করছি সারাদেশে।
➡শাহ পরীর দ্বীপে শুকানো সাদা রূপচাঁদা শুঁটকির এক পাশ সাদা ও অপর পাশ লালচে রঙয়ের হয়।
🔵লবণ ছাড়া ও কড়া রোদে শুকানো আমাদের এই শুঁটকি ওজনে হালকা হয় তাই পরিমাণে বেশি পাবেন। সোনাদিয়ার শুঁটকির স্বাদ ও ঘ্রাণ অতুলনীয়। সুস্বাদু ও মজাদার রূপচাঁদা শুঁটকির তরকারি খেতেও খুব মজা।
👌নিরাপদ ও সুস্বাদু রূপচাঁদা শুঁটকি একবার নিয়ে টেস্ট করলে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন কেন এই শুঁটকি বেস্ট।
🚚ডাসা সাইজের আস্ত রূপচাঁদা মাছের লবণ ছাড়া শুঁটকি অর্ডার করার ৪৮-৭২ ঘন্টার মধ্যে সারাদেশে পাবেন ক্যাশ অন হোম ডেলিভারি।
👉রূপচাঁদা শুঁটকি মিনিমাম ২৫০ গ্রাম অর্ডার করতে পারবেন। লবণ ছাড়া তাই ওজনে হালকা বড় সাইজের এই শুঁটকি ২৫০ গ্রামে ২-৩ পিস হবে।
✅রূপচাঁদা শুঁটকি (সাদা-বড়)- ২৫০গ্রাম ১৪২০ টাকা, ৫০০গ্রাম ২৮৪০ টাকা ও ১কেজি ৫৬৮০ টাকা।
🚚হোম ডেলিভারি চার্জ ঢাকা সিটিতে ৬০ টাকা ও সারাদেশে ১২০ টাকা।
🔵শুঁটকি সংরক্ষণ করার নিয়ম-
শুঁটকি ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে হবে। এতে শুঁটকি প্রায় বছরখানেক ভালো থাকবে। ফ্রিজে রাখলে শুঁটকির স্বাদ ও মান অটুট থাকবে।
শুঁটকি মাছের উপকারিতা:
শুঁটকি মাছে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ প্রোটিন থাকে। ফলে ডিমের বিকল্প হিসেবে খেতে পারেন এটি। অন্তঃসত্ত্বা নারী, ক্ষীণকায় ব্যক্তির জন্যও উপকারী। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় শুঁটকি খাওয়ার ফলে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। আবার সঠিক মাত্রায় সোডিয়াম থাকায় রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে রাখে। বিশেষ করে যারা হাইপার টেনশনে ভুগছেন, তারা নিয়মিত শুঁটকি মাছ খেতে পারেন।
১.শুটকি মাছে রয়েছে উচ্চমাত্রার আমিষ বা প্রোটিন , ক্যালসিয়াম, কোলেস্টেরল ও শক্তি।
২.যে সব ব্যক্তি অধিক পরিমানে পরিশ্রম করে তাদের এই মাছ খাওয়া অনেক উপকার। শরীরের অধিক শক্তি যোগাতে শুটকি মাছের তুলনা হয়না।
৩.নিয়মিত এই মাছ খেলে ইনফ্লুয়েঞ্জা জ্বর, যক্ষ্মা এই অসুখগুলো সহজে হয় না।
৪.গর্ভবতী মায়েরা সম্ভব হলে শুটকি মাছ বেশি খেতে পারেন। কারন এতে আয়রন,সোডিয়াম ও অন্যান্য উপাদান রয়েছে।
৫.তাছাড়া আয়রন, আয়োডিনের মাত্রা বেশি থাকার জন্য দেহে রক্ত বাড়ায়, দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে করে শক্তিশালী।
৬. শরীরের হরমোনজনিত সমস্যা দূর করে।
৭.এই মাছ বাড়ন্ত শিশু, ব্যায়ামবিদ, খেলোয়াড়,নৃত্যশিল্পী, সাঁতারু এ ধরনের ব্যক্তিদের জন্য যথেষ্ট উপকারী।কারন এতে যে পরিমানে ক্যালরী রয়েছে তা কায়িক পরিশ্রমের ব্যক্তিদের সাহায্য করে
৮.শুটকি মাছে প্রচুর পরিমানে কোলেস্টেরল রয়েছে। যে সব ব্যক্তি পাতলা লিকলিকে তাদের শরীর মোটা করতে শুটকি মাছ গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করে।
কারা খাবেন না:
শুঁটকি মাছের যেমন উপকারিতা রয়েছে, তেমনি কিছু ক্ষতিকর দিকও রয়েছে। যাদের কিডনিজনিত সমস্যা এবং রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ বেশি, তাদের শুঁটকি মাছ না খাওয়াই ভালো। এছাড়া যাদের শুঁটকি মাছ খাওয়ার পর কোনো সমস্যা হয়, তাদের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া না খাওয়াই ভালো।
🔵শুঁটকি সংরক্ষণ করার নিয়ম-
শুঁটকি বাটিতে ভরে ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে হবে। এতে শুঁটকি প্রায় বছরখানেক ভালো থাকবে
