All products
All category
সামুদ্রিক লইট্যা শুঁটকি (Loitta)
লইট্টা শুটকি বেশ পরিচিত এবং চাহিদা সম্পন্ন একটি শুঁটকি। লইট্টা মাছ মূলত সামুদ্রিক মাছ। লম্বা আকৃতির এই মাছের শুটকির রয়েছে ব্যাপক চাহিদা।শুটকির কথা আসলেই আমাদের মাথায় সবার প্রথমে আসে DDT এর নাম।এই উপাদানটি স্বাস্থ্যের পক্ষে বেশ ঝুঁকিপূর্ণ।

সামুদ্রিক লইট্যা শুঁটকি (Loitta)
price
- 0.25Kg
- 0.5Kg
- 1Kg
Secure
Checkout
Satisfaction
Guaranteed
Privacy
Protected
Details:
- Warrantyবিক্রিত পন্য ফেরত নেয়া মহানবীর সুন্নাহ
অর্গানিক লইট্টা শুটকি
১। স্বাস্থ্য সম্মত উপায়ে প্রক্রিয়াজাতকৃত। ফলে কোন ধরনের রাসসায়নিক এবং কীটনাশক ব্যবহৃত হয় না।
২। এতে আছে উচ্চমাত্রার প্রোটিন, প্রায় ৬০ – ৬৫ শতাংশ।
৩। এতে ফ্যাট বা তেলের পরিমাণ বেশ কম। ফলে অপেক্ষাকৃত অধিক স্বাস্থ্যসম্মত।
৪। শুকিয়ে ফেলা হয় বিধায় এতে খনিজ উপাদানগুলো অপাক্ষাকৃত অধিক পরিমাণে উপস্থিত থাকে।
৫। অধিক মাত্রায় ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস বিদ্যমান যা মজবুত হাড় গঠনে আবশ্যক।
আল অফদাল লইট্টা শুটকি সেরা?
১। শাহ পরীর দ্বীপ থেকে সরাসরি আসে।
২। শুটকিতে মাংসল অংশের পরিমাণ বেশি থাকে। কেননা মাথা, লেজ, কানকো, নাড়িভুড়ি ব্যতিত শুধুমাত্র মাংসল অংশ থেকে শুটকি প্রস্তুত করা হয়। ফলে অতিরিক্ত দুর্গন্ধ থাকে না।
৩। ড্রাই সেকশনের আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রনে রাখা হয়।
৪। সম্পূর্ণরূপে DDT এবং অন্যান্য রাসায়নিক মুক্ত।
শুঁটকি মাছের উপকারিতা:
শুঁটকি মাছে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ প্রোটিন থাকে। ফলে ডিমের বিকল্প হিসেবে খেতে পারেন এটি। অন্তঃসত্ত্বা নারী, ক্ষীণকায় ব্যক্তির জন্যও উপকারী। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় শুঁটকি খাওয়ার ফলে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। আবার সঠিক মাত্রায় সোডিয়াম থাকায় রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে রাখে। বিশেষ করে যারা হাইপার টেনশনে ভুগছেন, তারা নিয়মিত শুঁটকি মাছ খেতে পারেন।
১.শুটকি মাছে রয়েছে উচ্চমাত্রার আমিষ বা প্রোটিন , ক্যালসিয়াম, কোলেস্টেরল ও শক্তি।
২.যে সব ব্যক্তি অধিক পরিমানে পরিশ্রম করে তাদের এই মাছ খাওয়া অনেক উপকার। শরীরের অধিক শক্তি যোগাতে শুটকি মাছের তুলনা হয়না।
৩.নিয়মিত এই মাছ খেলে ইনফ্লুয়েঞ্জা জ্বর, যক্ষ্মা এই অসুখগুলো সহজে হয় না।
৪.গর্ভবতী মায়েরা সম্ভব হলে শুটকি মাছ বেশি খেতে পারেন। কারন এতে আয়রন,সোডিয়াম ও অন্যান্য উপাদান রয়েছে।
৫.তাছাড়া আয়রন, আয়োডিনের মাত্রা বেশি থাকার জন্য দেহে রক্ত বাড়ায়, দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে করে শক্তিশালী।
৬. শরীরের হরমোনজনিত সমস্যা দূর করে।
৭.এই মাছ বাড়ন্ত শিশু, ব্যায়ামবিদ, খেলোয়াড়,নৃত্যশিল্পী, সাঁতারু এ ধরনের ব্যক্তিদের জন্য যথেষ্ট উপকারী।কারন এতে যে পরিমানে ক্যালরী রয়েছে তা কায়িক পরিশ্রমের ব্যক্তিদের সাহায্য করে
৮.শুটকি মাছে প্রচুর পরিমানে কোলেস্টেরল রয়েছে। যে সব ব্যক্তি পাতলা লিকলিকে তাদের শরীর মোটা করতে শুটকি মাছ গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করে।
কারা খাবেন না:
শুঁটকি মাছের যেমন উপকারিতা রয়েছে, তেমনি কিছু ক্ষতিকর দিকও রয়েছে। যাদের কিডনিজনিত সমস্যা এবং রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ বেশি, তাদের শুঁটকি মাছ না খাওয়াই ভালো। এছাড়া যাদের শুঁটকি মাছ খাওয়ার পর কোনো সমস্যা হয়, তাদের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া না খাওয়াই ভালো।
🔵শুঁটকি সংরক্ষণ করার নিয়ম-
শুঁটকি বাটিতে ভরে ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে হবে। এতে শুঁটকি প্রায় বছরখানেক ভালো থাকবে।


