All products
All category
দুলালের আসল তালমিছরি (Talmisri)
সরাসরি ইন্ডিয়া থেকে আমদানিকৃত অরিজিনাল দুলাল চন্দ্র ভড়ের বিখ্যাত তালমিছরি নিয়ে এসেছি। বর্তমানে দেশের বাজারেই পাওয়া যাচ্ছে চিটা গুঁড় ও গোখাদ্য এর সমন্বয়ে তৈরি ভেজাল দুলাল চন্দ্র ভড়ের তালমিছরি।

দুলালের আসল তালমিছরি (Talmisri)
price
- 200gm
- 500gm
- 1Kg
Secure
Checkout
Satisfaction
Guaranteed
Privacy
Protected
Details:
- Warrantyবিক্রিত পন্য ফেরত নেয়া মহানবীর সুন্নাহ।
৮০ বছরের বেশি সময় ধরে দুলাল চন্দ্র ভড়ের তালমিছরি গুনে মানে সবার সেরা। যারা নব্বইয়ের দশকে বেড়ে উঠেছে বাংলায় তারা খুবই পরিচিত দুলালের তালমিছরির সাথে তাল মিছরি হতে পারে আমাদের চিনির বিকল্প, হালুয়া, সেরেলাক বিস্কুট, শরবত, কেক, ইত্যাদি বিভিন্ন মিস্টি খাবারে চিনির পরিবর্তে মিছরি ব্যবহার করতে পারেন।
তালমিছরি কিছু উপকারিতা
- হাড়ের সমস্যা সমাধান
- এনিমিয়া দূর করে
- কন্সটিপেশন দূর করে
- ব্লাড সুগার লেভেলকে নিয়ন্ত্রনে রাখে
- সর্দি কাশির উপশম করতে সাহায্য করে
তালমিছরির স্বাস্থ্যগুণ—
১. তালমিছরি পানিতে গুলিয়ে হালকা গরম করে খেলে গলায় জমে থাকা কফ, শ্লেষ্মা দূর হয়। কাশি বেশি হলে এক টুকরো তালমিছরি মুখে রাখলে অথবা তুলসী পাতার রসের সঙ্গে তালমিছরি গুলিয়ে খেলে কাশি কমে যাবে।
২. বয়সের সঙ্গে সঙ্গে হাড়ের ক্ষয় বাড়ে। সেইসঙ্গে বাড়ে হাঁটু ব্যথাও। এক্ষেত্রে তালমিছরির শরবত বেশ উপকারী। তালমিছরিতে থাকা ক্যালসিয়াম-পটাশিয়াম হাড়ের জন্য খুব ভালো। অপরদিকে প্রক্রিয়াজাতকৃত সাদা চিনি হাড়ের জন্য ক্ষতিকর।
৩. অ্যানিমিয়ার সমস্যা রয়েছে যাদের, তারাও তালমিছরির শরবত খেতে পারেন। কারণ এর মধ্যে থাকা আয়রন শরীরে নতুন রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে।
৪. তালমিছরি দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে। বাদাম, মৌরি, তালমিছরি, গোলমরিচ গুঁড়া করে দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে দৃষ্টিশক্তি ভালো হয়।
৫. তালমিছরির মধ্যে থাকা গ্লাইসেমিক ইন্ডেক্সের মাত্রা ৩৫। যা রক্তে সুগারের মাত্রা বাড়ায় না। বরং নিয়ন্ত্রণে রাখে। এছাড়াও এর মধ্যে থাকে ভিটামিনও খনিজ উপাদান। তবে যাদের সুগার রয়েছে তাদের তালমিছরি কিন্তু বেশি না খাওয়াই ভালো।
৬. যেসব মায়েরা শিশুকে দুধ পান করাচ্ছেন, তারা কালোজিরা ও তালমিছরি গুঁড়া করে দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে উপকারে আসে। এমনকী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।
৭. শিশুকে চিনির বদলে দুধ কিংবা সুজির সঙ্গে তালমিছরি মিশিয়ে খাওয়ান। এতে শিশুর শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠবে।
তবে প্রশ্ন থেকে যায়—ডায়াবেটিসের রোগীরাও কী তালমিছরি খেতে পারবেন নিশ্চিন্তে? কিন্তু ডায়াবেটিস রোগীদের তো কোনো মিষ্টিই খাওয়া ঠিক নয়। ফলে তালমিছরি খাওয়া তাদের জন্য ক্ষতির কারণে হয়ে দাঁড়াতে পারে। এক্ষেত্রে ডায়াবেটিসে ভোগা রোগীদের চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়াই উচিত।

